Welcome to Elanteach.com for Virtual Education   Click to listen highlighted text! Welcome to Elanteach.com for Virtual Education
home Career কিভাবে ‘জব অফার’ নিয়ে দর কষাকষি করবেন

কিভাবে ‘জব অফার’ নিয়ে দর কষাকষি করবেন

Share Button
চাকরিপ্রার্থীদের কাছে ‘জব অফার’ বা বলা যায় প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির প্রস্তাব সবচেয়ে আকাঙ্খিত বিষয়। চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ও নতুন প্রার্থীর মধ্যে এই জব অফার নিয়ে কিছু দর কষাকষি রয়েছে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে এ পেশাগত দর কষাকষি শুরু হয় প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তাবের আরো আগে যখন ইন্টারভিউয়ের কার্যক্রম চলতে থাকে। মূলত বেতন-ভাতা বা পে-স্কেল এবং প্রতিষ্ঠানে আপনার পদ ইত্যাদিকে কেন্দ্র করেই দু’পক্ষের কথা-বার্তা চলে। তারপর তাদের মধ্যে বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করেই আসে জব অফার। তাই চাকরীপ্রার্থীদের আগে থেকেই এই প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তাবনা নিয়ে দর কষাকষি বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন।

প্রতিযোগীতার বাজারে আপনি কী যোগ্যতা ধারণ করেন সে সম্পর্কে সচেতন হয়েই চাকরি খোঁজা শুরু করতে হবে আপনাকে। এ যোগ্যতার মাপকাঠি গতানুগতিক উপায়ে না পরিমাপ করে আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড এবং ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে আগে মেপে নিন। এ গ্রহণযোগ্যতা এবার পে-স্কেল, বেতন-ভাতা এবং সুযোগের পাল্লায় ওজন করুন।

চাকরির বাজারে আপনার পদচারণার গোটা চিত্রটি একটি উপমা দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া যাক। ধরুন একটি বাড়ি বিক্রি হবে। বাড়িটি আপনি কেনার জন্য দেখতে গেলেন। মালিক কোনো দাম ধরে দেননি। কাজেই আপনি জানতে চাইলেন বাড়িটির দাম কতো? মালিক জবাবে আপনাকে একটি দাম প্রস্তাব করতে বললেন। অবশ্যই আপনি যতোটুকু সম্ভব কম দাম থেকে শুরু করবেন। বিপরীতে মালিক তার বাড়ির সুবিধে বর্ণনা করে দাম বাড়াতে চাইবেন। চাকরির প্রস্তাবে আপনাকে নিজেকে এই বাড়িটির সঙ্গে তুলনা করতে হবে। আপনি যদি নিজের যোগ্যতা তুলে ধরে মূল্য নির্ধারণ না করেন, তবে প্রতিষ্ঠান আপনাকে তাদের কাঠামোর সবচেয়ে নিম্ন পর্যায় থেকে শুরু করবে। কাজেই বেতন-ভাতা নিয়ে কোনো চাহিদা থাকলে তা নিয়ে আগে থেকেই আলাপ সেরে ফেলুন।

একেবারে আনাড়িরা বুঝে উঠতে পারেন না বেতনের প্রসঙ্গ ঠিক কখন উত্থাপনের সুবর্ণ সুযোগ। মালিক পক্ষের সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ বা টেলিফোনে আলাপচারিতায় যদি এমন হয় যে, তারা আপনাকে যোগ্য মনে করছেন এবং কথাবার্তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইঙ্গিত করছে, তবে তখনই দর কষাকষির সময়। আবার দ্বিতীয় সাক্ষাতের সুযোগ থাকলে সাধারণত সেখানেই বিষয়টি তোলা যায়। যে পরিস্থিতিই হোক না কেনো, প্রসঙ্গ আপনি প্রথম সুযোগেই তুলতে পারেন। আর এটা করাই ভালো। কারণ প্রথমেই যদি বোঝেন যে, প্রতিষ্ঠান চাহিদামতো দিতে ইচ্ছুক নয়, তাহলে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছু নয়।

এখানে টেলিফোনেই হোক বা সাক্ষাতে, একজন চাকরিপ্রার্থী কিভাবে বেতনের প্রসঙ্গ তুলছে তার একটি উদাহরণ দেওয়া হলো।

প্রতিষ্ঠান : আপনার সিভি আমারা পেয়েছি। আপনাকে আমাদের এইচআর ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা করতে হবে (একটি তারিখ উল্লেখ করে)। আপনি কি আসতে পারবেন?

প্রার্থী : ধন্যবাদ, ওইদিন আমার কোনো সিডিউল রয়েছে কিনা তা একটু দেখতে হবে। তবে তার আগে আমি কি জানতে পারি যে, এ পদের জন্য আমার বেতন-ভাতার বিষয়টি নিয়ে আমি কি আপনার সঙ্গেই আলাপ করতে পারবো? নাকি অ্যাডমিন ম্যানেজারের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করতে হবে?

এক কথাতেই আপনি মূল বিষয়ে জেনে গেলেন। তবে যেখানেই এ প্রসঙ্গ উঠুক, গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়, মালিকপক্ষ প্রথমেই আপনার কাছে জানতে চাইবে যে, আগের চাকরিতে আপনি কতো বেতন পেতেন। আপনার উপার্জন একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। কাজেই তা বলতে বাধ্য নন আপনি এবং এটা বলাও উচিত হবে না। কারণ, সাম্প্রতিক উপার্জন খোলাসা করা মাত্রই আপনার লক্ষ্যে পৌঁছতে বেশ বেগ পেতে হবে।

আবারো নতুনদের জন্য একটি উদাহরণ-
প্রতিষ্ঠান : শেষ চাকরিতে আপনি কতো বেতন পেতেন?
প্রার্থী : আমি ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার বেতনের একটি কাজ আশা করছি। যদি আপনাদের প্রস্তাব এমন হয়, তবে আমরা সাক্ষাৎ করতে পারি।

এরপরই আশা করা যায় আপনি ওই প্রতিষ্ঠানের আসল প্রস্তাব বুঝতে পারবেন। আর তা জানতে অবশ্যই সচেতন ও সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে আপনার।

সূত্র : ফর্বস  ও কালের কন্ঠ
Share Button

Comments

Comments

Elanteach.com

Elanteach.com

“Elanteach.com” is a Non-profit organization on a mission & the goal of developing education on General Knowledge, Technology, Famous Person, Free Exam, E-Courses, E-lecture, E-schedule and Life Advice for Students & anyone from anywhere.

Translate »
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Click to listen highlighted text!